শরীয়তপুরের জাজিরায় আলোচিত একটি কথিত ধর্ষণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে আলেমদের হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন এক বক্তা।বক্তা দাবি করেন, ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন সাংবাদিক তাদের কাছে অর্থ দাবি করেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এক পক্ষ ২ লাখ টাকা এবং অন্য পক্ষ ৬০ হাজার টাকা চেয়ে বলেছিল, অর্থ দিলে সংবাদ প্রকাশ করা হবে না, আর অর্থ না দিলে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হবে।তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে পুলিশি তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি এবং ঘটনাটি মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না মিললেও কিছু গণমাধ্যম ও সাংবাদিক সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।বক্তার দাবি, দেশে এর আগেও একাধিক ক্ষেত্রে আলেমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে পরে তা ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, অতীতে এক আলেম দীর্ঘদিন কারাভোগের পর ডিএনএ পরীক্ষায় নির্দোষ প্রমাণিত হন। এছাড়া আরেক আলেমের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্যে ঘটনার ভিন্ন চিত্র সামনে আসে বলেও তিনি দাবি করেন।তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই সেটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়। বরং তদন্ত ও যাচাই-বাছাইয়ের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীলতা ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

মন্তব্য করুন